৫ দিনের জোড়কে সামনে নিয়ে মেহনতের তরতীব ২০২৫

২০২৫ সালের ৫ দিনের জোড় আগামী ২৮, ২৯, ৩০ নভেম্বর ও ১, ২ ডিসেম্বর টংগীর ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে ইন শা আল্লাহ। জোড়ের কামিয়াবির জন্য দুয়া কান্নাকাটি করতে থাকি। জোড়ের ম্যাপ ডাউনলোড করে নিন নিচে থেকে। 👇

  1. পুরাতনদের জোড়ের মাকসাদ হচ্ছে কামকরনেওয়ালা সাথীদের মধ্যে সিফত পয়দা করা, সারা দেশের কাজ একই নেহাজে আনা এবং কাজের ছাতা (স্তর) আগে বাড়ানো।
  2. ক) এই মাকসাদকে সামনে নিয়ে প্রতিটি জিলার মসজিদ থেকে একটি ১ চিল্লার ও একটি ৩ চিল্লার এবং কয়েকটি দুর্বল মসজিদ মিলে ১টি চিল্লার জামাত তৈয়ার করার চেষ্টা করা।

    খ) প্রতিটি জিলায় কোরবানীওয়ালা এক মজমা তৈয়ার করার চেষ্টা করা যারা প্রতি বছর ৪ মাস অর্থ্যাৎ একতেহাই জানমাল খরচ করনেওয়লা বনে।

    গ) এবং প্রতিটি মসজিদ মসজিদে নববীর নকশায় মাকামী ৫ কাজকে জিন্দা করার চেষ্টা করা।

  3. পুরাতনদের জোড়কে সামনে নিয়ে এ সকল জিনিস অযুদে আনার জন্য সাল / ৩ চিল্লা / ১ চিল্লা দেয়া ওলামা হাযরত ও সাল / ৩চিল্লা দেয়া সাথীদের মসজিদওয়ার নতুন লিষ্ট করে তাদের আল্লাহর রাস্তায় বের করা ও মোকমী কাজে জুড়ানোর চেষ্টা করা।
  4. এখন থেকে জিলা, থানা, ইউনিয়ন হালকা ও মসজিদের মাশোওয়ারাতে পুরাতনদের জোড়ের আহমিয়াত ও আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়ার তাকাজাকে বুঝায়ে প্রদত্ত আজাইম পুরা করা চেষ্টা করা।
  5. এই মওকায় জিলার কাম করনেওয়ালা জিম্মাদার সাথীরা নিজ নিজ জিলায় পায়দল জামাত বানিয়ে সফর করে পুরাতনদের কাজে জুড়ানোর চেষ্টা করা।
  6. জিলার পুরাতন সাথীদের হরকতে আনার জন্য জিম্মাদার সাথীরা ৭/১০ দিনের জামাত বানায়ে এলাকায় সফর করা।
  7. ৫ দিনের জোড়কে সামনে নিয়ে মেহনতের তরতীব
    ৫ দিনের জোড়কে সামনে নিয়ে মেহনতের তরতীব
  8. ঢাকা শহর সহ সকল জিলা থেকে কসরতের সাথে ৩ দিনের জামাত বের করে পুরাতনদের জোড়ের তাগাজা সমূহ খুব চালানো। একটি ৩ দিনের জামাত অপর একটি নগদ ৩ দিনের জামাত বের করে সামনে চালানো। এইভাবে মেহনতের ধারাবাহিকতা পুরাতনদের জোড় পর্যন্ত জারী রাখা।
  9. সকল তবকা ছাত্র-নওজোয়ান, শিক্ষক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও গোরাবাদের মধ্যে মেহনতকে বাড়ানো।
  10. বড়দের বাতানো এতিয়াতের পাহলুকে সামনে রেখে মাস্তুরাতের সাপ্তাহিক তালিম ও ৩ দিনের জামাত বের করার এহতেমাম করলে ভালো হয়।
  11. পুরাতন সাথী ও ওলামা হাযরত যেনারা মাজুর হয়ে গিয়েছেন তাদের খেদমতে হাজিরি দিয়ে তাদেরকে জোড়ের ব্যাপারে ফিকিরবান করা ও দোয়ার দরখাস্ত করা।
  12. জিলা থেকে যে সাথীরা আসবেন তারা জামাত বন্দি হয়ে আসা। জামাত আপনা আপনা খানার ইন্তেজাম করবে, কোন ইজতেমায়ী খানাপিনার ব্যবস্থা না করা।
  13. কারগুজারী শুনানোর / পেশ করার জন্য প্রদত্ত ছকে তৈয়ার করে আনলে ভাল হয়।
  14. এখান থেকে ফিরে যেয়েই জিলার জিম্মাদর সাথীদের একত্রিত করে সমস্ত তাকাজাগুলি পেশ করে মেহনতের তরতীব শুরু করে দেওয়া।
ডাউনলোড ম্যাপ
Next Post Previous Post