কাকরাইলের ত্রিমাসিক জোড়ের তাকাজা জুন ২০২৬

তারিখঃ ২৭/০৬/২৬

বিসমিহি তায়ালা

ত্রিমাসিক মাশওয়ারার ফায়সালাসমুহ

১. এস.এস.সি/ দাখিল ছাত্রদের খুরুজের তাহসিন

এস.এস.সি/ দাখিল ছাত্রদের পরীক্ষার পরে আল্লাহপাকের রাস্তায় বের হওয়া আমাদের জন্য বড় নেয়ামত | তাদের সঠিক তালিম তরবিয়তের জন্য এলাকার সাথীরা নিজ সন্তানের মত মনে করে নুসরাতের তরতিব বানানো | আপনাদের জেলার জামাত যে সমস্ত এলাকার রোখ হয়েছে তাদের নূসরাতের জন্য ছাত্রদের অভিভাবক সহ মুনাসেব সাথীদের দিয়ে প্রথম সপ্তাহ থেকে জামাত বানিয়ে বারি বারি করে পাঠাতে থাকা | এ বছরে যে সমস্ত ছাত্ররা আল্লাহপাকের রাস্তায় বের হয়েছে তাদের সহি তরবিয়ত হলে তারা আগামী বছরের এস.এস.সি/ দাখিল পরীক্ষার্থী ছাত্রদের আল্লাহ পাকের রাস্তায় বের হওয়ার সহযোগী বনবে। এখন থেকে আগামী বছরের এস.এস.সি/ দাখিল ছাত্রদের জামাতের জন্য পুরানো সাথীদের খুরুজের তরতিব অনুযায়ী মুনাসেব সাথীদের বুনিয়াদ বানিয়ে অভিভাবকসহ ছাত্রদের তাশকিল করতে থাকা পাশাপাশি স্কুলের শিক্ষকদেরও এ ব্যাপারে ফিকিরবান করা। এস.এস.সি ছাত্রদের অনুরূপ দাখিল ছাত্রদের উপরও মেহনত করা। 

২. আলমী ফিকিরি ও বাহির মূলকের ৫ মাসের জামাত বানানোর প্রচেষ্টা

সারা দুনিয়াতে বাংলাদেশের জামাতের তাকাজা, প্রায় দেড় কোটি প্রবাসী বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন। অনেকে সেই দেশে নাগরিকত্ত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশের জামাত এই সমস্ত ভাইদের পিছনে যতটা কাবু পান অন্যান্য দেশের জামাতের দারা তা হয়ে উঠেনা, তাছাড়া হযরতজি রহ, ফরমায়েছেন আমরা যত বেশি বিদেশে জামাত পাঠাবো বিদেশ থেকে তত বেশি জামাত আমাদের দেশে আসবে | তাই যারা এরাদা করেছেন, নাম লিখিয়েছেন বা যে সমস্ত জামাতের বুনিয়াদ হয়েছে বা সোয়াদ হয়েছ, জামাত বানিয়ে উনাদের কাছে গাস্তে যাই, উনাদের মাসায়েল হাল করা, প্রয়োজনে সামানা বিত্রয় করা অথবা কর্জে হাসানার ব্যবস্থা করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাকরাইলে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা। উল্লেখ্য যে মিয়াজী মেহরাব রহ. ফরমান আমরা বড় হযরতজি রহ. জামানায় নামাজ ও দোয়া ছাড়া গান্তে যাওয়া কল্পনাও করতে পারতাম না। কিছু সাথী রায় দিয়েছেন জামাত ৫ মাসের না হয়ে স্বল্প সময়ের জন্য হলে ওলামা হাযরাতগণের জোড়া সহজ হতো- এ প্রসঙ্গে হযরত মাওলানা ইব্রাহিম সাহেব দামাত বারাকাতাহুম ফরমান আমরা এই মেহনতকে মুজাহাদার সিড়ি বানাই, সোহলতের উপর না আনা। 

৩. ফারেগীন ওলামা হাযরাতদের সালের জন্য তৈরি করার  প্রচেষ্টা এবং সারা বছর মাদ্রাসাগুলিতে মেহনতকে জারি রাখা

আপনাদের সম্মিলিত চেষ্টা মেহনতের দ্বারা এখন পযন্ত ৫২৪ জন ফারেগীন ওলামা হাযরাত সালের জন্য তৈরি হয়ে কাকরাইলে এসেছেন। এনারা আমাদের বিশেষ পুজি, উনাদের মাধ্যমে দ্বীনের অনেক তাকাজা পুরা হয়। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে যত সংখ্যক তোলাবা দাওরা ফারেগ হন তার একটা ক্ষুদ্র অংশ সালের জন্য এসে থাকেন, তাই আমাদের মেহনতকে বাড়ানো বিশেষ প্রয়োজন | নিজ জেলায় বিভিন্ন মাদ্রাসায় এবং আমাদের জেলার ফারেগীন ওলামা হাযরাত বিভিন্ন জেলার মাদ্রাসায় তাখাচ্ছুস, উলুমে হাদিস পড়ার কারণে এরাদা থাকা সত্বেও সালের জন্য বের হতে পারেন নাই, উনাদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করা৷ তাছাড়া থানা ইউনিয়নের জিম্মাদার সাথীরা নিজ নিজ এলাকায় ফারেগীন ওলামা হাযরাতদের লিষ্ট বানিয়ে অভিভাবকের সঙ্গে দেখা করে তাদের বিভিন্ন মাসায়েল হাল করে সালের জন্য তৈরি করে কাকরাইলে পাঠানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা | অনুরুপ ভাবে জেলার কিবারে ওলামা হাযরাতগণদের দিয়ে জামাত বানিয়ে মাদ্রাসা মেহনতকে জারি রাখা | ইনশাআল্লাহ এর দ্বারা বছরের শেষে ভালো নতিজা আশা করা যায় |

8. জেলার সকল কাম করনেওয়ালা সাথীদের খুরুজের তরতীব করা

আমাদের দেশে প্রায় ১২ লক্ষ এক চিল্লা/তিন চিল্লার সাথী এবং সাল/ তিন চিল্লা লাগানো ওলামা হাযরাত আছেন, এটা আমাদের সারমায়া পুজি | তাজির তার তহবিলকে ঠিক রেখে তার উপর মুনাফা উঠায়। তাই মসজিদওয়ার কাজের মাধ্যমে প্রতিটি সাথী সালানা, মাহানা, রোজানা খুরুজের তরতিব করে সকল সাথীকে দাওয়াতের এই মহান কাজে জুড়ে রাখার চেষ্টা করা অর্থাৎ এই --- সম্পদ যেন বিনষ্ট না হয়। এজন্য নতুন কিছুই করতে হবে না | তিন চিল্লা/এক চিল্লা সাথী যারা হরকতে আছেন উনারা যখন চিল্লা দেন ওই সময়টা লিখে দিবে। তাদের সঙ্গে নতুন সাথীদের জুড়িয়ে দিলে জামাত বনে যাবে ও নতুন সাথীরা পুরাতন সাথীদের সঙ্গে গেলে কাজ শিখতে পারবে এবং মাশওয়ারার মাধ্যমে লিস্ট করার দ্বারা তাদের মধ্যে সময়মত বের হওয়ার এহসাস পয়দা হবে | অতঃপর একটি তাশকিলের জামাত থাকা যারা নিগরানী করবেন কে কবে বের হবে, সে অনুসারে বের করার চেষ্টা করা। এভাবে মেহনত করার দ্বারা আগামী ৬ মাসের মধ্যে সারা দেশে খুরুজের তরতিব বহুল অংশে অজুদে আসবে ইনশা আল্লাহ্‌৷ 

৫. সারাদেশে সকল মসজিদে ৫ কাম জিন্দা করার মেহনত

যে জেলার বা এলাকার ৫ কাজ যত মজবুত হবে ওই এলাকার দ্বীনের কাম তত মজবুত হবে, তাই সকল জিম্মাদার সাথীরা নিজ নিজ মসজিদে এতেমামের সাথে ৫ কাজ করেন | তাছাড়া হালকা/ ইউনিয়নের লম্বা মাশওয়ারার মাধ্যমে দুর্বল মসজিদকে চিহ্নিত করে সবল মসজিদকে দুর্বল মসজিদ এর কাম উঠানোর দায়িত্ব দেয়া | তাছাড়া কখনো কখনো হালকা/ ইউনিয়নে মসজিদওয়ার জামাতকে মারকাজে ডেকে অথবা মারকাজের জিম্মাদার সাথীরা হালকার জোড়ে যেয়ে ৫ কাজের কারগোজারী শুনে তরগীব ও তরতিব ঢালা যাতে কিনা মসজিদওয়ার জামাতের সকল সাথী রোজানা মাশওয়ারায় বসার এহতেমাম করে, ঘর কর মোলাকাতের তরতিব হয় এবং আপোষে মাশওয়ারা করে দুইজন সাথী জোড়া বানায়ে ২৭ দিন মেহনত করে সপ্তাহ নির্দিষ্ট করে নতুন সাথীদের নিয়ে ৭২ ঘণ্টা সময় লাগানোর তরতিব করা | 

৬. নিজ জেলায় পায়দল জামাত চালানোর এহতেমাম

নিজ জেলায় পায়দল জামাতের দ্বারা পুরানো সাথীদের হরকতে আনা এবং জেলার বানজার (প্রত্যন্ত) এলাকায় কাজকে আগে বাড়ানোর জন্য বহুতি প্রয়োজন, তাই এটাকে কোনো রূপ মৌসুমী খুরুজের মধ্যে সীমাবদ্ধ না করে বরং আজিমতের উপর আসা | তাই বছরের শুরু থেকে সাথী বাছাই করে কে কোন এলাকায় গেলে কাজ উঠাতে পারে; উনাদের জমা করে তাশকিল করা, সাথে পুরানো সাথীদের জুড়ে দেয়া ও নতুন সাথী না জুড়ানো | জামাতের তারিখ নির্ধারণ করে ও বানজার এলাকায় রোখ তাসবিজ করে কাকরাইলে পাঠানোর চেষ্টা করা। আজাইম করা যে আগামী ত্রি মাসিক মাশওয়ারার পূর্বে কমপক্ষে প্রতি জেলা থেকে ৫টি জামাত তৈরি করে কাকরাইলে পাঠাবো এবং এর কারগুজারী আগামী ত্রিমাসিক মাশওয়ারায় শোনানো |

৭. প্রতিটি সবল মসাজিদ থেকে ৪ মাসের মোকাম্মাল জামাত বের করার প্রচেষ্টা

দাওয়াতের আজিমুশশ্বান কাজ কোরবানি চায় তাই কোরবানির ছাতাকে আগে বাড়ানোর জন্য আজাইম করা৷ এই জন্য প্রতিটি সবল মসজিদের জামাতের সাথীরা সবাই মিলে দুই/এক জন সাথীকে বুনিয়াদ করে, তারিখ নির্ধরণ করে উক্ত তারিখে ৪ মাসের মোস্তাকিল জামাত (পায়দল) বের করার চেষ্টা করা। ইনশা আল্লাহ্‌এর দ্বারা কোরবানির ছাতা আগে বাড়বে, তাছাড়া পায়দল জামাত চলার দ্বারা কাজের উমুমি ফেজা বাড়ে ও বাতেলের জড় দুর্হবল হতে থাকে অধিকন্ত পায়দল চলার দ্বারা এক এক কদমে সাতশত নেকি, সাতশত গুনাহ মাফ ও সাতশত দারাজাত বুলন্দ হয়। যদি একান্তই এক মসজিদ থেকে পুরা জামাত না হয় তবে আশেপাশের দুই একটি মসজিদ মিলে জামাত পরিপূর্ণ করে চিঠি সহকারে কাকরাইলে পাঠানো এবং এর পরবর্তী ত্রিমাসিক মাশওয়ারায়তার কারগুজারী শুনানো |

৮. ছাত্র-শিক্ষক ও নওজোয়ানদের মধ্যে মেহনতকে বাড়ানো

সারা বাংলাদেশে ৪/৫ কোটি ছাত্র স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে যা আমাদের দেশের মোট জনসংখ্যার ২০ থেকে ২৫% । যা একটা বিরাট শক্তি, আমরা যদি মেহনত না করি এই বিরাট তবকা বাতেলের শিকার হবে | আল্লাহ্‌র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম ফরমান- আমি নওজোয়ানদের দ্বারা সাহায্য প্রাপ্ত হয়েছি, হিজরতের মওকায় রোজানা পাঁচশত নওজোয়ান মদিনা মনোয়ারাতে আল্লাহ্‌র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম কে এস্তেকবাল করার জন্য অপেক্ষমান ছিলেন | অনুরুপ করে সারা দেশে সাড়ে ৮ লক্ষ শিক্ষক আছেন | ছাত্ররা শিক্ষকদের আদর্শ হিসাবে বিবেচনা করেন, শিক্ষকদের এক-দুইটা জুমলা বয়ানের চেয়ে বেশি কাজ করে। তাই প্রতিটি জেলার 

  • ছাত্র-শিক্ষক ও নওজোয়ানদের দেখভালের জামাত প্রতি সপ্তাহে কমছে কম একবার নিয়মিত বসে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাম চালু করার চেষ্টা করা।
  • প্রতিটি মসজিদের আওতায় যত ছাত্র আছে তাদের নাম, কি পড়াশুনা করে, সেই অনুসারে ছুটির তালিকা তৈরী করে তাদের পিছনে মেহনত শুরু করা।
  • বিশেষ করে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ও তাদের হল/মেসগুলিতে মেহনত চালু করা।
  • তাছাড়া বড়দের বাতানো তরতীব অনুসারে শিক্ষা বছরের শুরু ও শেষে জোড় করে ও ছুটির মওকায় ছাত্র-শিক্ষকদের কম-বেশি ওয়াক্তের জন্য আল্লাহর রাস্তায়বের করার চেষ্টা করা।
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলিতে বাদ জোহর সংক্ষিপ্ত তালিম চালু করার চেষ্টা করা।
  • ফাইনাল পরীক্ষার পর 8 মাসের মাসের দাওয়াত এহতেমামের সঙ্গে চালানো |

উপরে উল্লেখিত বিষয়াদি সারা দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চালু করা এবং ছাত্র-শিক্ষক ও নওজোয়ানদের মধ্যে কামকে আগে বাড়ানোর জন্য কাকরাইলের পরামর্শে এটা তায় হয়েছে যে আগামী ২৫ ও ২৬শে সেপ্টেম্বর (শুক্র ও শনিবার) সকল জেলার ছাত্র- শিক্ষক ও নওজোয়ানদের দেখভালের জামাত এবং সকল জেলার চিল্লা/তিন চিল্লা দেয়া ও মুহারেরক ছাত্ররা টঙ্গীর শেডে জোড়ে আসবেন | আগামী ২৪ ঘণ্টার জেলার জোড়ে এটাকে ওজুদে আনার জন্য মেহনতের তরতীব ঢালা | প্রতি জেলা থেকে জামাত বানিয়ে ইজতেমায়ী সামানা সহ খানা পিনার এন্তেজাম করে টঙ্গীর শেডে আসা |

৯. এইচ, এস. সি আলিম পরীক্ষার্থীদের উপর মেহনত

আগামী ২ রা জুলাই তারিখ থেকে এইচ.এস.সি/আলিম পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। প্রায় ৬ লক্ষের বেশি ছাত্র পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। যদিও কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থী মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য কোচিং করবে, তারা ভর্তির পরেও লম্বা সময় নিয়ে আল্লাহ্‌পাকের রাস্তায় সময় লাগাতে পারে। তাছাড়াও অনেক ছাত্র জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেখানে ভর্তি হতে কোচিং করা লাগেনা, আবার অনেকে আর্থিক ও অন্যান্য কারণে পড়াশোনা সমাপ্ত করতে বাধ্য হয়- এনাদের পিছনে মেহনত করে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের মত আল্লাহপাকের রাস্তায় বের করার জন্য জানতোড় মেহনত করা | 

১০. মাস্তুরাতের মেহনতের তাহসিন

আল্লাহ্‌পাক ঈমানদার বান্দাদের হুকুম দিয়েছেন নিজেও জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচো ও পরিবার-পরিজনকেও বাঁচাও | তাই মাস্তরাতের মধ্যে মেহনতকে আগে বাড়ানোর গুরুত্ব অপরিসীম | আমরা প্রত্যেকে আজম করি প্রতি তৃতীয়মাসে মাস্তরাত সহ ৩ দিন সময় লাগাবো, তাহলে এই মেহনত আগে বাড়বে | এ মেহনতকে গুরুত্ব না দেয়ার কারণে বাহির মুলকের মাস্তরাতের ২ মাসের জামাত, 8০ দিনের জামাত ও ১০/১৫ দিনের জামাত আশংকাজনক ভাবে কমে গিয়েছে, তাছাড়া প্রতিটি জেলায় মাস্তুরাতের তালিমের পয়েন্টের সংখ্যা আশাব্যাঞ্জক নয়। তাই প্রতিটি মসজিদের কাওয়াযেফ পুরা করে তালিম পয়েন্ট চালু করার চেষ্টা করা |

১১. কাকরাইলের বড়দের জেলার সফরের তাহসিন

জেলার কাজকে আগে বাড়ানোর জন্য বড়রা জেলায় জেলায় সফর করার সম্মতি দিয়েছেন। তাই আগামী ২৪ ঘন্টা জোড়ে যে সমস্ত জেলার সাথীরা বড়দের সফর চান তারা সকল সাথীদের নিয়ে পরামর্শ করে দুইটি আজাইম তৈরি করা; প্রথম আজাইম- বড়দের জেলার সফরের প্রস্তাবিত তারিখের আগে কত জামাত দিবেন ও কতগুলি মসজিদে ৫ কাজ চালু করবেন এবং দ্বিতীয় আজাইম - সফরের সময়কতগুলো নগদ চিল্লা/তিন চিল্লার জামাত দিবেন | প্রথম আজাইম পুরা করার পরেই বড়রা এসমস্ত জেলায় সফর করবেন ইনশা আল্লাহ্‌ |

১২. বধির ভাইদের পিছনে মেহনত

প্রত্যেক জেলায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বধির ভাইয়েরা রয়েছেন | উনাদেরকেও দাওয়াতের এ মহান মেহনতে লাগানোর জন্য কোশেশ করা | এজন্য আপনাদের জেলার মারকাজে শবগুজারীর মওকায় বয়ানের তরজমার ব্যবস্থা করা এবং বধির ভাইদের তাশকিল করে মুনাসেব সাথী জুড়িয়ে আল্লাহ পাকের রাস্তায় বের করার ফিকির করা পাশাপাশি বধির ভাইদের মুতারজেম বাড়ানোর চেষ্টা করা। 

১৩. কাকরাইলে ১ মাসের তরতীবে সাথী পাঠানোর এহতেমাম

কাকরাইলে ১ মাসের তরতীবে সাথী পাঠানোর জন্য নির্ধারিত মাসের ৩ মাস আগে থেকে ফিকির শুরু করা | জিম্মাদার সাথীরা পুরা ৩০ দিনের জন্য আসা | নির্ধারিত সংখ্যক সাথী নিয়ে আসার জন্য কামকরনেওয়ালা সাথীদের একত্রিত করে তাশকিল করা। কাকরাইলে প্রায় ৩০/৩২ টি নজম রয়েছে | তাই সব জেলা হতে যে পরিমান আজাইম দেয়া হয়েছে অনুরুপ মোনাসেব, কর্মক্ষম ও বিভিন্ন নজম সামলানোর যোগ্যতা রাখেন ও মার্পাকাজ মাহোলে জুড়ে চলতে পারেন এমন সাথীরা আপনা আপনা জান ও মাল নিয়ে আসা |

১৪. ৪০/৪০ তরতীবে কাকরাইলের নজমে সাথী পাঠানোর প্রচেষ্টা

আমাদের পূর্ববর্তী বুজুর্গগনের অনেক কুরবানী আর রোনাজারীর ফসল এই কাকরাইল মারকাজ | এখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ নজম আছে যা সামলানোর জন্য সারা বছর ৪০/৪০তরতীবে সাথী একান্ত প্রয়োজন। তাই জেলার যে সমস্ত সাথীরা কয়েকবার 8 মাস লাগিয়েছেন, বিভিন্ন নজম সামলানোর যোগ্যতা রাখেন ও মারকাজ মাহোলে কুরবানীর সাথে জুড়ে চলতে পারেন এইরুপ সাথীদের মাশওয়ারা করে ৪০/৪০ তরতীবে চিঠি সহ কাকরাইলে পাঠানোর এহতেমাম করা দরকার | 

ডাউনলোড
Previous Post