বাংলাদেশের সাথীদের পুরাবৎসরের মেহনতের জন্য বাতানো তরতীব

প্রত্যেক মসজিদে মসজিদওয়ার জামাত বানানো, এই জন্য এক মসজিদকে যাহাতে মেহনত হইতেছে, একটি এমন মসজিদের জিম্মাদারী দেওয়া যাহাতে মেহনত নাই। ঐ মসজিদে মসজিদওয়ার জামাত বানাইয়া কাম জমানোর এবং মেহনত শুরু করাইবার কোশেশ করিবে। এই জিম্মাদারী তিন মাসের জন্য দিবে, তিন মাস পরে মসজিদ বদলাইয়া দিবে এবং অন্য মসজিদে মেহনতের জিম্মাদারী দিবে।

মেহনতের তারতীব

দ্বিতীয় গাস্তের মাধ্যমে:

  1. রোজানা মেহনত: রোজানা মেহনতের মাধ্যমে সপ্তাহে এক দুইটি জামাত ঐ মহল্লার সাথীদেরকে আপন করিবার ও মোতাওয়াজ্জু করিবার জন্য পাঠাইবে, বিশেষ করিয়া দ্বিতীয় গাস্তের দিন অথবা উহার এক দিন আগে।
  2. বাহিরের জামাত: বাহিরের জামাত গুলিকে ঐ মসজিদে নিয়া যাইয়া তাহাদের ৪ কামের মেহনত করাইবে।
  3. তিন দিনের জামাত: ঐ মসজিদের সাথীদেরকে তিন দিনের জন্য বাহির করিয়া, যদি অন্য গ্রাম হয় তবে নিজেদের তিন দিনের জামাত সেখানে নিয়া যাইয়া মেহনত করিয়া, তাহাদের জামাত তাশকিল করিয়া নিজেদের নিকট নিয়া আসিবে এবং তাহাদের ঐ মেহনতের জন্য তৈয়ার করিবে। যদি শহরের জামাত হয় তবে ঐ মহল্লাহর তিন দিনের জামাত বাহির করিবার মেহনত করিবে এবং জামাত তৈয়ার না হওয়ার অবস্থায় নিজেদের জামাতের সাথে নিয়া যাইয়া তাহাদের উপরে মেহনত করিবে।
বাংলাদেশের সাথীদের পুরাবৎসরের মেহনতের জন্য বাতানো তরতীব
বাংলাদেশের সাথীদের পুরাবৎসরের মেহনতের জন্য বাতানো তরতীব

জেলা ও গ্রামে মেহনত

জেলার প্রত্যেক গ্রাম এবং বস্তিতে মেহনত করিবে। জেলা ওয়ালারা কাকরাইল হইতে তাকাজা রাখিয়া জামাত সমূহ নিয়া যাইবে এবং এমন এলাকাসমূহকে উঠানোর ফিকির করিবে যেখানে কাজ দুর্বল।

দুইজন পুরানো সাথী মিলিয়া ৮/১০ জন নতুন সাথীকে তৈয়ার করিয়া নিজেদের সাথে জামাত বানাইবে এবং ৩ দিনের জন্য নিয়া যাইবে এবং তাহাদের উপর মেহনত করিবে এবং তাহাদেরকে ৪ মাসের জন্য তৈরী করিবে, রোজানা নিজেদের মসজিদে সময় দেয়ার জন্য এবং মসজিদ ওয়ার মেহনতের জন্য তৈয়ার করিবেন।

প্রত্যেক মসজিদ ওয়ালারা নিজেদের মসজিদের ৩ চিল্লার সাথীদের তালিকা বানাইয়া তাহাদের উপর মেহনত করিবে, এবং তাদেরকে জোড়ানোর ফিকির করিবে।

চিল্লার জামাত ও পরিকল্পনা

৪ মাসের জন্য এবং চিল্লার পায়দল জামাত সমূহ জেলাগুলোতে চালাইবে। জামাত যদি মজবুত হয় এবং মোনাসেব হয় তবে নিজেদের জেলাতেও চালানো যাইতে পারে। নতুবা অন্য জেলায় চালাইবে। জামাত কাকরাইল আসিয়া রওয়ানা হইবে। ওয়াপেসীতেও কাকরাইল আসিবে। রোখ কাকরাইল ওয়ালা তায় কারিবেন।

সাল লাগানো ওলামায়ে কেরামকে চব্বিশ ঘন্টার জন্য জুড়িবে। এই ধরনের জোড় কয়েকটি জেলাকে মিলাইয়াও করা যাইতে পারে। তারিখ কাকরাইল হইতে নিবে এবং কাকরাইলের হযরতগণ যাইয়া উহাকে পুরা করিবেন।

ঘরের তা'লীম ও মাস্তুরাত

প্রত্যেক মসজিদের জামাত নিজেদের সাথীদেরকে ঘরের তা'লীম শুরু করিবার ফিকিরমন্দ করবে ও তরগীব দিবে। যেখানে এজতেমাই তা'লীম চালু আছে তাহা মসজিদের জামাতের সাথে সম্পর্কযুক্ত থাকিবে।

দুজন পুরাতন মাস্তুরাত এবং ২/৩ জন নতুন মাস্তুরাতকে মাহরামসহ তিন দিনের জামাতে বাহির করিবে।

Next Post Previous Post